ঢাকার রিকশাচালক থেকে কক্সবাজারের তরুণ উদ্যোক্তা – Hi Baja-তে সবাই নিজের মতো করে জিতেছেন। এই পাতায় আছে তাদের সেই অভিজ্ঞতার কথা।
Hi Baja-র কেস স্টাডি বিভাগটা শুধু জেতার গল্পের সংকলন নয়। এটা বরং একটা খোলা জানালা, যেখান দিয়ে আপনি দেখতে পাবেন অন্য মানুষেরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কোন কৌশলে এগিয়েছেন এবং কোথায় ভুল করে শিখেছেন। বাংলাদেশের প্রতিটি কোণ থেকে আসা এই গল্পগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন যে বড় জেতার জন্য বড় বিনিয়োগ করতে হয় না – সঠিক কৌশল আর ধৈর্যই যথেষ্ট।
ঢাকার পুরনো ঢাকায় একজন রিকশাচালক কীভাবে প্রতিদিনের আয় থেকে সামান্য সঞ্চয় করে hi baja-তে বাজি ধরে একদিন বড় জয় পেলেন, কক্সবাজারের একজন তরুণ ব্যবসায়ী কীভাবে বোনাস ভাউচার ব্যবহার করে তার প্রথম বড় পুরস্কার জিতলেন – এসব গল্প শুনলে মনে হয় না এটা কোনো দূরের মানুষের কথা। এরা আপনার মতোই সাধারণ মানুষ।
Hi Baja প্রতিটি কেস স্টাডি সংগ্রহ করার সময় সেই খেলোয়াড়ের সম্মতি নেওয়া হয় এবং কোনো তথ্য বাড়িয়ে বলা হয় না। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতাই সবচেয়ে বড় বিশ্বাসযোগ্যতা।
ঢাকার একজন রিকশাচালক Hi Baja-তে তার প্রথম বড় জয়ের মুহূর্তে
পুরনো ঢাকার লালবাগে বাস করেন মোহাম্মদ আব্দুর রহিম। বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি, পেশায় রিকশাচালক। প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রিকশা চালিয়ে যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার টানেন কোনোমতে। মোবাইলে hi baja-র বিজ্ঞাপন দেখে প্রথমে বিশ্বাসই হয়নি। পরিচিত একজনের কাছ থেকে শুনে সাহস করে মাত্র ৳১০০ দিয়ে শুরু করেছিলেন।
"প্রথম সপ্তাহে মাত্র ৳৫০ জিতেছিলাম। ভাবলাম, এটা কি আসলেই কাজ করে? তারপর দ্বিতীয় সপ্তাহে ৳৩০০। ধীরে ধীরে বুঝতে পারলাম কোন সময়ে কোন বাজি ভালো কাজ করে," রহিম ভাই বলেন। তিন মাসের মাথায় তিনি একটি ক্রিকেট ম্যাচে সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে জিতেছিলেন ৳১২,০০০। সেই টাকায় তাঁর ছেলের স্কুলের বেতন আর নতুন একটা টিফিন বক্স কেনা হয়েছিল।
"hi baja আমার কাছে বাড়তি আয়ের একটা সুযোগ। আমি কখনো বেশি ঝুঁকি নিই না। যা হারালেও সমস্যা নেই, এমন টাকাই খেলাই।"
– মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, ঢাকাকক্সবাজারের একটি হোটেলে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজ করেন নাফিসা আক্তার। পর্যটন মৌসুমে ভালো আয় হলেও বছরের বাকি সময় হাত টানাটানির মধ্যে থাকতে হয়। Hi Baja-তে আসেন বন্ধুর সুপারিশে। প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পেয়ে অবাক হয়েছিলেন।
নাফিসা মূলত লটারিতে মনোযোগ দিয়েছিলেন। প্রতি সপ্তাহে কয়েকটি করে টিকিট কিনতেন। দুই মাস পর একটি উইকলি মেগা ড্রতে তৃতীয় স্থানে এসে জিতেছিলেন ৳১০,০০০। সেটা তাঁর জন্য একটা বড় অনুপ্রেরণা হয়েছিল।
Hi Baja-র সবচেয়ে অনুপ্রেরণামূলক সাফল্যের গল্পগুলো
কক্সবাজার শহরের একজন মাঝারি মাপের ব্যবসায়ী, মোহাম্মদ করিম। দীর্ঘদিন ধরে hi baja-তে নিয়মিত খেলছেন। বরাবর ছোট ছোট জয়ে খুশি থাকতেন। কিন্তু গত ঈদুল ফিতরের আগের রাতে সব হিসাব পালটে গেল।
সেদিন তিনি hi baja-র বিশেষ ঈদ বোনাস অফারে একটি রেড এনভেলপ পেয়েছিলেন। সেই বোনাস ব্যবহার করে একটি বিশেষ ড্রতে অংশ নিলেন এবং রাত বারোটার পর যখন ফলাফল এলো, দেখলেন তাঁর নম্বর উঠেছে। মাত্র ৳৫০০ বিনিয়োগে পুরস্কার এসেছিল ৳৮৫,০০০।
"ঈদের সকালে বাচ্চাদের নতুন জামা কিনে দিতে পেরেছিলাম, বাসায় ভালো রান্না হয়েছিল। Hi Baja সেই ঈদটাকে সত্যিকার অর্থে আনন্দময় করে দিয়েছিল।"
– মোহাম্মদ করিম, কক্সবাজারদেশের বিভিন্ন জেলার খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা
ময়মনসিংহ শহরের একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করেন সালমা বেগম। ঈদের আগে hi baja-র বিশেষ উৎসব অফারে অংশ নিয়ে প্রথমবারের মতো জিতেছিলেন ৳১৫,০০০। সালমা বলেন, "এটা আমার জন্য বিশাল ব্যাপার ছিল। পুরো ঈদের খরচ এই একটা জয় থেকেই হয়ে গিয়েছিল।"
তিনি hi baja-র অ্যাপটি ব্যবহার করেন এবং বলেন অ্যাপটা এতটাই সহজ যে কাজের বিরতিতেও খেলা যায়। ময়মনসিংহের মতো মাঝারি শহরে এই ধরনের বিনোদন আগে ছিলই না।
ঈদের ১৫ দিন আগে hi baja-তে যোগ দেন
৳৫০০ জমা দিয়ে ১০০% বোনাস পান
ঈদ স্পেশাল ইভেন্টে টিকিট কেনেন
নগদে উইথড্রয়াল করেন মাত্র ২ ঘণ্টায়
চট্টগ্রামের রাফি সবসময় ক্রিকেটের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করতেন শখের বশে। Hi Baja-তে এসে সেই জ্ঞানকে কাজে লাগান। আইপিএলের একটি ম্যাচে সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে মাত্র ৳৩০০ বিনিয়োগে জিতেছিলেন ৳২৮,০০০।
সিলেটের শ্রীমঙ্গলে থাকেন করিমুল হক। চা বাগান দেখাশোনার পাশাপাশি সন্ধ্যায় hi baja খেলেন। মান্থলি সুপার লটারিতে টানা তিন মাস অংশ নেওয়ার পর চতুর্থ মাসে জিতলেন ৳৫২,০০০। পুরো চা বাগানে সেদিন উৎসব হয়েছিল।
রাজশাহীর চারঘাটের আম চাষি নজরুল ইসলাম hi baja-তে এসেছিলেন ছেলের পরামর্শে। প্রথম দিকে শুধু দেখতেন, পরে ছোট ছোট বাজি শুরু করলেন। আমের মৌসুমে একটি ক্রিকেট সিরিজে সঠিক ভবিষ্যৎ বলে জিতেছিলেন ৳১৯,৫০০।
খুলনার বাগেরহাট থেকে hi baja খেলেন সাইফুল। সুন্দরবনের কাছাকাছি প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় বিনোদনের বিকল্প কম। Hi Baja তার কাছে এক নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। তিনি ভাউচার কৌশল ব্যবহার করে একটানা ছয় সপ্তাহে মোট ৳৩৩,০০০ জিতেছেন।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার তানভীর একজন ছোট ব্যবসায়ী। শীতের লম্বা রাতে hi baja খেলেন। একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজে পরপর তিনটি সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে তিনি জিতেছিলেন মোট ৳৬৭,০০০ – এটা রংপুর বিভাগে এ বছরের অন্যতম বড় জয়।
কুমিল্লার পাঁচজন বন্ধু মিলে hi baja-র গ্রুপ টিকিট কৌশল ব্যবহার করেন। প্রতি সপ্তাহে একসাথে ২০টি উইকলি টিকিট কেনেন এবং ১৫% ডিসকাউন্ট পান। এক মাসের মাথায় তারা মিলে জিতেছিলেন ৳৪৪,০০০ – পাঁচজনের মধ্যে ভাগ হয়েছিল সমানভাবে।
বরিশালের একজন গৃহিণী তাঁর মোবাইলে Hi Baja উপভোগ করছেন
বরিশাল শহরের একজন গৃহিণী রুমানা বেগম। সংসার সামলানোর ফাঁকে মোবাইলে hi baja খেলেন। তাঁর কৌশল ছিল সহজ কিন্তু কার্যকর – প্রতিদিন বাজেট ঠিক করে রাখতেন এবং সেই সীমা কখনো ছাড়াতেন না।
"আমি প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৳২০০ রাখি। এর বেশি কখনো না। এই নিয়মটা মানার কারণেই আমি কখনো ক্ষতিতে পড়িনি," বলেন রুমানা। গত বছর তিনি মোট ৳৪১,০০০ জিতেছেন, আর মোট খরচ হয়েছে ৳১৪,৮০০ মাত্র।
রুমানার গল্পটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ তিনি দেখিয়েছেন যে hi baja-তে সাফল্য পেতে বড় বিনিয়োগ লাগে না, লাগে সঠিক মনোভাব আর নিয়মশৃঙ্খলা। তাঁর এই অভিজ্ঞতা দেশের লক্ষ লক্ষ গৃহিণীর জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে যারা ঘরে বসেই বাড়তি আয়ের পথ খুঁজছেন।
বিজয়ীদের অভিজ্ঞতা থেকে যা জানলাম
প্রতিটি সফল খেলোয়াড় একটি নির্দিষ্ট দৈনিক বা সাপ্তাহিক বাজেট মেনে চলেন। এই অভ্যাসটাই দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক থাকার মূল রহস্য।
প্রায় সবাই ৳১০০–৳৫০০ দিয়ে শুরু করেছেন। বড় জয় পাওয়ার আগে প্ল্যাটফর্মটা ভালো করে চেনা দরকার। তাড়াহুড়ো করে বড় বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি বাড়ে।
Hi Baja-র ওয়েলকাম বোনাস, রেফারেল বোনাস আর উৎসব অফারগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করলে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। বিজয়ীদের বড় অংশই এই সুবিধা কাজে লাগিয়েছেন।
বেশিরভাগ বড় জয় আসে তিন থেকে ছয় মাসের নিয়মিত খেলার পর। এক রাতেই সব পাল্টে যাবে এই মনোভাব ছেড়ে ধারাবাহিকভাবে খেলুন।
কেস স্টাডি ও Hi Baja সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো